বাংলাদেশে বিদেশীদের ওপর আরও হামলার আশঙ্কা, ভ্রমণে ফের সতর্কতা বৃটেনের

UK-Flagসুরমা টাইমস ডেস্কঃ আবারও বাংলাদেশে ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে বৃটিশ সরকার। বলা হয়েছে, পশ্চিমাদের লক্ষ্য করে আরও হামলা হতে পারে। সন্ত্রাসের বড় ধরনের ঝুঁকি রয়েছে এখানে। বৃহস্পতিবার সকাল-সন্ধ্যা হরতাল চলছে। এ সময় সরকার ও বিরোধীদের মধ্যে সংঘর্ষ হতে পারে। অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটতে পারে। বিদেশী নাগরিককে গুলি করে আহত করা হয়েছে বাংলাদেশে। এ অবস্থায় বৃটিশ নাগরিকদের সতর্ক হয়ে চলাচল করতে পরামর্শ দেয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, চলাচল করতে হবে খুব সাবধানতার সঙ্গে। আগেভাগেই পর্যাপ্ত নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। বৃটিশ সরকারের ওয়েবসাইটে আপডেট করা সতর্কতায় এসব কথা বলা হয়েছে। এতে বলা হয়, পররাষ্ট্র ও কমনওয়েলথ অফিস সবাইকে এ পরামর্শ দিচ্ছে। তবে যারা পার্বত্য চট্টগ্রাম সফরে যাবেন তাদের জন্য এটা অত্যাবশ্যক। সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশে সম্প্রতি দু’জন বিদেশী হত্যা, শিয়াদের একটি র‌্যালিতে কমপক্ষে দু’জনকে হত্যা, ঢাকার অদূরে পুলিশি চেকপয়েন্টে এক পুলিশ সদস্যকে ছুরিকাঘাত করে হত্যার দায় স্বীকার করেছে দ্য ইসলামিক স্টেট অব ইরাক অ্যান্ড দ্য লেভ্যান্ট (আইসিল)। ১৮ই নভেম্বর বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল দিনাজপুরে একটি মোটরসাইকেলে করে তিন দুর্বৃত্ত গুলি করে আহত করেছে একজন ইতালিয়ানকে। এ অবস্থায় পশ্চিমাদের ওপর আরও হামলা হতে পারে। তারা আরও অবমাননাকর অবস্থার মুখে পড়তে পারেন। নিজ নাগরিকদের সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, তাই আপনার উচিত সজাগ হওয়া। চলাচল করতে হবে সতর্কতার সঙ্গে। আগেভাগেই যথাযথ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। উন্মুক্ত স্থানে নিজের ‘লো প্রোফাইল’ বজায় রাখতে হবে। যেখানে পশ্চিমারা জড়ো হন, যেমন কোন হোটেল বা কনফারেন্স সেন্টার, এমন ইভেন্টে আপনার উপস্থিতি সীমিত করতে হবে। যুদ্ধাপরাধের দায়ে দু’জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখার প্রতিবাদে আজ সারা দেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল আহ্বান করেছে জামায়াতে ইসলামী। বাংলাদেশ সরকার ও বিরোধী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নেতৃত্বাধীন জোটের মধ্যে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। বিক্ষোভ দ্রুততার সঙ্গে সহিংসতায় রূপ নিতে পারে। এতে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর সঙ্গে সংঘর্ষ ঘটতে পারে। হঠাৎ করে সারা দেশে, প্রধানত শহরগুলোতে অগ্নিসংযোগসহ সহিংস হামলা, ভাঙচুর শুরু হতে পারে। বড় যেসব স্থানে লোকজনের বেশি জমায়েত হয়, রাজনৈতিক অফিস ও র‌্যালির স্থানগুলোতে সতর্ক থাকুন। এছাড়া, মওসুমি ঘূর্ণিঝড়, বন্যায় আক্রান্ত হতে পারে দেশ। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের আবহাওয়া বিভাগের পূর্বাভাস সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। বাংলাদেশ ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকায় রয়েছে। নেপালের শক্তিশালী ভূমিকম্প ঢাকা ও দেশের অন্য অনেক স্থানে অনুভূত হয়েছে। ঢাকার কিছু ভবন তখন দুলে উঠেছিল। ভূমিকমপনের বিষয়েও আপনাকে সজাগ থাকতে হবে। নিরাপদ স্থানে থাকতে হবে এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের পরামর্শ অনুসরণ করতে হবে। প্রতি বছর এখন ৭৫০০০ বৃটিশ বাংলাদেশ সফর করেন। তবে কোন বিপত্তি ছাড়াই বেশির ভাগ ক্ষেত্রে তারা সফর করতে সক্ষম হয়েছেন।

Pin It on Pinterest

Share This

By continuing to use the site, you agree to the use of cookies. more information

The cookie settings on this website are set to "allow cookies" to give you the best browsing experience possible. If you continue to use this website without changing your cookie settings or you click "Accept" below then you are consenting to this.

Close