নগরীতে মাইক্রোবাসের ভিতরে গনধর্ষণ : ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা

hiace microbasসুরমা টাইমস ডেস্কঃ নগরীর সোবহানীঘাটে অস্ত্র ঠেকিয়ে কালো গ্লাসের মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে দুই সন্তানের জননীকে ধর্ষন করা হয়েছে। এ ঘটনায় নির্যাতিত গৃহবধূ বাদি হয়ে ৪ দুর্বৃত্তের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ২ জনকে আসামী করে কোতোয়ালী থানায় ধর্ষন ও ধর্ষন সহায়তার অপরাধ এনে এ মামলাটি দায়ের করেন। নং- ১১ (০৯-১২-১৪)। কোতোয়ালী থানার ওসি মো. আসাদুজ্জামান বলেন, আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। মামলার আসামিরা হচ্ছে- বিয়ানীবাজার থানার মাটিজোরা গ্রামের মন্তাকিম আলী মাষ্টারের পুত্র অহিদুর রেজা মাসুম (৩৫), একই এলাকার জালাল উদ্দিনের পুত্র জবলু (৩০), একই থানার গুঙ্গাদিয়া মালিগ্রামের সুলু মিয়ার পুত্র মন্তাক আহমদ (২৫) ও দুবাগ দক্ষিণের হবিবুর রহমানের পুত্র আশফাক হোসেন খসরু (৩৫)। কোতোয়ালী থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই শাহ মো. মুবাশ্বির জানান, মামলাটি তদন্ত চলছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত আসামী কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি। আসামীদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মামলার এজাহার সুত্রে জানা গেছে, বিয়ানীবাজার থানার মাটিজোরা গ্রামের তাজ উদ্দিনের স্ত্রী বর্তমানে টিলাগড় গোলাপবাগের ৮২ নং বাসার বাসিন্দা নাছিমা বেগম (২৮) তার ছেলে নুরুল আমিন ও আলামিনকে নিয়ে গত ৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় সবজি কিনতে সোবাহানীঘাট সবজিবাজারে যান। সেখানে পূর্ব থেকে ওৎ পেতে থাকা ৬ দুর্বৃত্ত মামলা-মকদ্দোমার জের ধরে গৃহবধূ নাছিমা ও তার দুই ছেলের মাথায় আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে কালো গ্লাসের হাইএস মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে তাকে চড়থাপ্পর মেরে গালিগালাজ করে।
এ সময় তাদের উপর থেকে মামলা তুলে নেয়ার হুমকী দেয় দুর্বৃত্তরা। এক পর্যায়ে চলন্তগাড়ীতে সন্তানের সামনে অহিদুর রেজা মাসুম নাছিমা বেগমকে ধর্ষন করে। প্রায় ৪/৫ ঘন্টা নাছিমাকে নির্যাতন করে নগরীর বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ওইদিন রাত সাড়ে ১১ টার দিকে দুর্বৃত্তরা ওসমানী শিশু পার্কের সামনে তার ২ ছেলেসহ তাকে নামিয়ে দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে নাছিমাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
প্রঙ্গত, গত ১১ নভেম্বর অহিদুর রেজা মাসুম ও জবলু নামের ২ লম্পটের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে নাছিমা বেগম একটি মামলা দায়ের করেন। বর্তমানে মামলাটি ওই আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

Pin It on Pinterest

Share This

By continuing to use the site, you agree to the use of cookies. more information

The cookie settings on this website are set to "allow cookies" to give you the best browsing experience possible. If you continue to use this website without changing your cookie settings or you click "Accept" below then you are consenting to this.

Close