অসম প্রেম নিয়ে কেনিয়ার গনমাধ্যমে তোলপাড় !

love_21সুরমা টাইমস রিপোর্টঃ একটি অসম প্রেমের কাহিনী নিয়ে তোলপাড় আলোচনা চলছে সমগ্র কেনিয়ায়। দেশটির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে সংসদীয় আলোচনায় পর্যন্ত বিষয়টি উত্থাপিত হয়েছে। তবে এ আলোচনা হচ্ছে ইতিবাচক দৃষ্টিকোণ থেকে।
২৪ বছর বয়সী সারিকা প্যাটেল কেনিয়ার এক ধনী ব্যবসায়ীর মেয়ে। আর অন্যদিকে ২৫ বছর বয়সী টিমোথি খামালা পশ্চিম কেনিয়ার ওয়েবুয়ে গ্রামের এক হতদরিদ্র পরিবারের ছেলে। ছেলেটির সম্বল বলতে একটিমাত্র মাটির ঘর। অর্থনৈতিক ও সামাজিক বৈষম্য থাকা সত্ত্বেও তারা দু’জন দু’জনকে ভালোবেসেন।
প্রায় চার বছর আগে একদিন টিমোথি সারিকার বাবার গাড়ি পরিষ্কার করছিল। আর এটাই ছিল সারিকা ও টিমোথির প্রথম দেখা। এরপর বিভিন্ন সময় আরও অনেক ঘটনার ভেতর দিয়ে এই দু’জনের মধ্যে ক্রমশ প্রেমের সম্পর্ক হয়। অতঃপর তারা সিদ্ধান্ত নেয় বিয়ে করার। কিন্তু ভারতীয় বংশোদ্ভূত সারিকার পরিবার এ সম্পর্ক মানতে নারাজ। কারণটা যে কেবল অর্থনৈতিক তা নয়, এখানে রাজনীতিও জড়িত। ভারতীয়রা কালো চামড়ার মানুষদের বিয়ে করতে চায় না। আবার কালো চামড়ার মানুষরা ভারতীয়দের বিয়ে করতে অনিচ্ছুক। সারিকা এবং টিমোথির প্রেম নিয়ে কেনিয়ার মন্ত্রী ফিলিস কান্দে টুইটারে লেখেন, তারা কেনিয়ার সুন্দর স্বপ্নের উদাহরণ। কেনিয়ার সবাই ভালোভাবে বাঁচতে চায়। কেনিয়া হলো ভালোবাসা এবং ঐক্যের দেশ।
এদিকে, কেনিয়ার নিয়মানুযায়ী বিয়ের সময় কনেপক্ষ বর পক্ষ থেকে যৌতুক পায়। আর ভারতীয় রীতিতে বর পক্ষ কনে পক্ষ থেকে যৌতুক পায়। আর এটাও বিয়েতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে। একদল বলছে বরের উচিত যৌতুক দেয়া, আবার আরেক পক্ষ বলছে কনে পক্ষকে দিতে হবে। আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো বলছে দুই পক্ষই পরস্পরের রীতিকে সম্মান জানাক। শেষ পর্যন্ত সারিকা এবং টিমোথির প্রেমের জয় হবে এমনটাই শুভকামনা গোটা কেনিয়ার হৃদয়বান মানুষদের।

Pin It on Pinterest

Share This

By continuing to use the site, you agree to the use of cookies. more information

The cookie settings on this website are set to "allow cookies" to give you the best browsing experience possible. If you continue to use this website without changing your cookie settings or you click "Accept" below then you are consenting to this.

Close