নিখোজ মালয়েশিয়ার বিমানটি অপহরন হয়েছিল !

বিধ্বস্ত হয়নি বিমানটি, অজ্ঞাতস্থানে নিরাপদে অবতরণ করেছে !

IMG_20140424_151811সুরমা টাইমস ডেস্কঃ ভারত মহাসাগরে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে অনুসন্ধানের পর একদল তদন্তকারী এখন এই সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে শুরু করেছেন যে, মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের নিখোঁজ যাত্রীবাহী বিমানটি হয়তো পৃথিবীর কোনো স্থানে নিরাপদে অবতরণ করেছে। আন্তর্জাতিক তদন্তকারী দলের বরাত দিয়ে মালয়েশিয়ার ইংরেজি দৈনিক ‘নিউ স্ট্রেইট টাইমস’ আজ (বুধবার) জানিয়েছে, কর্মকর্তারা এখন এ সম্ভাবনা নিয়ে সামনে এগুতে চান যে, নিখোঁজ জেট বিমানটি ভারত মহাসাগরে বিধ্বস্ত হয়নি বরং কোনো অজ্ঞাত স্থানে নিরাপদে অবতরণ করেছে।
তদন্তকারী সূত্রগুলো দৈনিকটিকে জানিয়েছে, “এমএইচ৩৭০ ফ্লাইটের এক টুকরা ধ্বংসাবশেষও খুঁজে না পাওয়ায় এখন এ সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না যে, কোথাও এটি অবতরণ করেছে। অবশ্য, যখন ২০টিরও বেশি দেশ তল্লাশি কাজে অংশ নিচ্ছে তখন বিশ্বের কোনো একটি দেশের পক্ষ থেকে বিমানটিকে লুকিয়ে রাখার সম্ভাবনাও অর্থহীনই মনে হয়।”
মালয়েশিয়ার দৈনিকে এমন সময় এ খবর প্রকাশিত হলো যখন এক ডজনেরও বেশি বিমান ও জাহাজ এখনো হারিয়ে যাওয়া বিমানটির ধ্বংসাবশেষের খোঁজে অনুসন্ধান চালাচ্ছে। এর আগে রাশিয়ার একটি দৈনিক দাবি করেছিল, মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের নিখোঁজ বিমানটি আফগানিস্তানের কান্দাহারে অবতরণ করেছে এবং এর যাত্রীরা আশপাশের গ্রামগুলোতে আশ্রয় নিয়েছেন। অবশ্য এ খবরের সত্যতা প্রমাণিত হয়নি। এদিকে মালয়েশিয়ার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানের বিলবোর্ডে বিজ্ঞাপন দেয়া হচ্ছে যে নিখোজ বিমানের সাবমেরিন সার্চ তিনভাগের দুইভাগই সম্পন্ন হয়েছে।
গত ৮ মার্চের প্রথম প্রহরে কুয়ালালামপুর থেকে বেইজিংগামী একটি বোয়িং ৭৭৭ বিমান ২৩৯ জন আরোহীসহ নিখোঁজ হয়ে যায়। কিন্তু প্রায় দেড় মাস পরও বিমানটির কোনো খোঁজ না পাওয়ায় এটির আরোহীদের জন্য ‘মৃত্যু সনদ’ ইস্যু করার কথা চিন্তাভাবনা করছেন মালয়েশিয়ার কর্মকর্তারা। তারা গত রোববার বলেছেন, বিমানটির যাত্রীদের স্বজনরা যাতে প্রয়োজনীয় ক্ষতিপূরণ পেতে পারেন সেজন্য ডেথ সার্টিফিকেট ইস্যু করার বিষয়টি বিবেচনা করছেন তারা। এদিকে মালয়েশিয়ায় সর্বমহলে নিখোজ বিমান নিয়ে নানা ধরনের সন্দেহ। এখানকার সাধারন সচেতন নাগরিকের ধারনা, মালয়েশিয়ার নিখোজ বিমানটি বিদ্ধস্ত হয়নি। তাদের ধারনা এই ফ্লাইটটিতে বেশিরভাগ যাত্রীই ছিল চিনের নাগরিক। তাদের মধ্যে চিনা গোয়েন্দা সংস্থার কিছু লোক ছিল যাদেরকে অপহরন করার উদ্দেশ্যে আমেরিকার কোন সংস্থা বিমানটি অপহরন করে আমেরিকার কোন ঘাটিতে নিরাপদ অবস্থান করেছে। মালয়েশিয়ার সরকারও এ ব্যাপারে অবগত আছে বলে মালয়েশিয়ার সাধারন নাগরিকের ধারনা।

Pin It on Pinterest

Share This

By continuing to use the site, you agree to the use of cookies. more information

The cookie settings on this website are set to "allow cookies" to give you the best browsing experience possible. If you continue to use this website without changing your cookie settings or you click "Accept" below then you are consenting to this.

Close