ভয়াবহ ইস্যুকে ভিন্নখাতে নিতেই শফিক রেহমানকে গ্রেফতার করা হয়েছে: ফিনল্যান্ড বিএনপি

Finland BNPজামান সরকার, হেলসিংকি থেকেঃ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ফিনল্যান্ড শাখা বুধবার দুপুরে জেষ্ঠ সাংবাদিক শফিক রেহমান ও গাজীপুরের সিটি করপোরেশনের মেয়র আবদুল মান্নানের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে এক বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে।
সমাবেশে দলের নেতৃবৃন্দ বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি, দুর্নীতি, লুটপাট ও বিরোধীদলকে নির্যাতনের ভয়াবহ ইস্যুকে ভিন্নখাতে নিতেই প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ ও হত্যা প্রচেষ্টার নামে ষড়যন্ত্রমূলক সাজানো মামলা দিয়ে সরকার সাংবাদিক শফিক রেহমানকে গ্রেফতার-হয়রানি করছে।
“সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন মিথ্যা মামলায় আবারো দৈনিক আমারদেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে শ্যোন এ্যারেষ্ট দেখিয়ে রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ।
রাজকোষ কেলেঙ্কারি সহ সরকারের সীমাহীন দুর্নীতি, লুটপাট ও বিরোধী দলকে নির্যাতনের ভয়াবহ ইস্যুকে ভিন্নখাতে নেয়ার জন্যই নতুন নতুন ষড়যন্ত্রমূলক সাজানো মিথ্যা মামলা দিয়ে এখন সাংবাদিক ও সম্পাদকদেরকে গ্রেফতার করে হয়রানি করা হচ্ছে। মানুষের কন্ঠরোধ করে ক্ষমতাকে কীভাবে দীর্ঘস্থায়ী করা যায় সেজন্য বর্তমান শাসকগোষ্ঠী চাপ প্রয়োগ করে গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার অপচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ ও হত্যা চক্রান্তের সঙ্গে শফিক রেহমানের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলে দাবি করেছে ফিনল্যান্ড বিএনপি।
সাংবাদিক শফিক রেহমান, মাহমুদুর রহমান, শওকত মাহমুদ, মেয়র আবদুল মান্নান এবং সব রাজনৈতিক নেতার বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিও জানান দলের নেতৃবৃন্দ।
ফিনল্যান্ড বিএনপির সভাপতি কামরুল জনির সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক জুলফিকার আশরাফ সাগরের পরিচালনায় এ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জামান সরকার, বদরুম মনির ফেরদৌস, গাজী সামসুল আলম, মুজিবুর রহমান হিরক, তাজুল ইসলাম, সাব্বির আলম, মেহেদী হাসান ও আনোয়ার।

Pin It on Pinterest

Share This

By continuing to use the site, you agree to the use of cookies. more information

The cookie settings on this website are set to "allow cookies" to give you the best browsing experience possible. If you continue to use this website without changing your cookie settings or you click "Accept" below then you are consenting to this.

Close