তিন দিনের মাথায় খাদিমে আবারও দুর্ধর্ষ ডাকাতি

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

ডেস্ক রিপোর্টঃ খাদিমপাড়ায় তিন দিনের মাথায় আবারও এক ব্যবসায়ীর বাসায় দুর্ধর্ষ ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে। ডাকাতরা অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে পরিবারের সবাইকে জিম্মী করে স্বর্ণ ও নগদ টাকাসহ ১০ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। গতকাল শুক্রবার ভোররাতে চকগ্রামের ব্যবসায়ী সোহেল আহমদের বাড়িতে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার ভোররাতে চকগ্রামের ব্যবসায়ী সোহেল আহমদের বাড়িতে ১০/১২ জনের মুখোশধারী ডাকাত দল দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে ড্রইং রুমের সবাইকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে একটি কক্ষে আটকে রেখে বেঁধে ফেলে। এ সময় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ডাকাতরা বাড়ির গৃহকর্তা সোহেল আহমদকে আলমিরার চাবি দিতে বলে। এতে সোহেল আহমদ চাবি দিতে অপরাগতা প্রকাশ করলে ডাকাত দলের কয়েকজন তার মাথায় অস্ত্রধরে চাবি নিয়ে যায়। ডাকাতরা তখন স্টিল-আলমিরা খোলে নগদ ২লাখ টাকা, ১০ ভরি স্বর্ণলংকার, স্যামসাং মোবাইল সেট ২টি, ট্যাব ১টি, নকিয়া সেট ১টি ও চায়না ফোন ৩টি নিয়ে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে পুলিশে খবর দেন। মুখোশধারী ডাকাতদলের প্রতিটি সদস্যদের বয়স ২৫/২৮ বছরের মধ্যে বলে ব্যবসায়ী সোহেল আহমদ জানান।
এদিকে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, শাহপরাণ থানাধীন এলাকায় রাতের বেলা পুলিশ টহল দেয় না। যার কারনে এসব ডাকাতির ঘটনা শুধু শাহপরাণ থানা এলাকা বেশী বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত বুধবার ভোরে শহরতলীর খাদিমপাড়ার সৈয়দপুর এলাকায় সাহেদ আহমদ ও জাহেদ আহমদের বাসায় ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে। সংঘবদ্ধ ডাকাতরা এ সময় ইউরো, নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কারসহ প্রায় ১৫ লাখ টাকার মালামাল লুটে নেয়।
শাহপরান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিন চৌধুরী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, শহরতলীর দাসপাড়াস্থ চকগ্রামে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাতরা নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকারসহ বেশ কয়েকটি মোবাইসেট নিয়ে যায়। লুট হওয়া মালামাল ও ডাকাতদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রেখেছে পুলিশ।

Pin It on Pinterest

Share This

By continuing to use the site, you agree to the use of cookies. more information

The cookie settings on this website are set to "allow cookies" to give you the best browsing experience possible. If you continue to use this website without changing your cookie settings or you click "Accept" below then you are consenting to this.

Close