জুড়ীতে সংবাদ সম্মেলনে ঘর -বাড়ী জ্বালিয়ে দেয়া ও বাদীকে হত্যার হুমকি

pic juri-1জুড়ী সংবাদদাতা: জুড়ীতে দশ বছরের শিশু বলাৎকারের ঘটনায় থানায় দায়েরকৃত মামলার আসামী ও তার বাবা বাদীর পরিবারকে হত্যা ও বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয়ার হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন মামলার বাদী মোঃ ফাতির আলী। গত বুধবার (১৩/১) জুড়ী উপজেলা প্রেসকাব এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন। সম্মেলনে ফাতির আলীর পক্ষে তাঁর ছেলে আবজাল হোসেন উজ্জ্বল লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। ফাতির আলী বলেন, ‘আমার শিশূপুত্র ৫ম শ্রেণির ছাত্র রিমন আহমদ (১০) গত ২৩আগষ্ট ২০১৪ইং সন্ধ্যায় স্থানীয় রিপন মিয়ার দোকান থেকে প্রয়োজনীয় জিনিষ ক্রয় করে বাড়ী ফেরার পথে মধ্য ভোগতেরা গ্রামের আব্দুর রশিদ এর লম্পট পুত্র জাহাঙ্গীর আলম কালা (২৬) রিমনকে ধারালো অস্রের ভয় দেখিয়ে মুখে কাপড় গুজে পাশ্বৃবর্তী জঙ্গলে নিয়ে জোরপূর্বক বলাৎকার করে। তার চিৎকারে প্রতিবেশি লোকজন এগিয়ে গেলে লম্পট কালা পালিয়ে যায়। ছেলেকে উদ্ধার করে প্রথমে কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং পরে মৌলভীবাজার হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করাই। এ ঘটনায় আমি গত ৩০আগষ্ট ২০১৪ইং তারিখে জাহাঙ্গীর আলম কালাকে আসামী করে জুড়ী থানায় একটি মামলা (নং ১০, তারিখ ঃ ৩০.০৮.১৪, ধারা ঃ ৩৭৭ দায়ের করি। উক্ত ঘটনা ও মামলায় স্থানীয় এলাকাবাসীর সহযোগিতায় ঐ দিন পুলিশ আসামীকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরন করেন। এমতাবস্থায় আসামীর বাবা আব্দুর রশিদ (৬০) মামলাটি উঠাইয়া না নিলে আমার বাড়ীঘর জ্বালিয়ে দিবেন বলে বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিচ্ছেন। এমনকি তারা গত বছরের ৫আগষ্ট ১৫ ও ১১ অক্টোবর আমার উপর আক্রমন করেন। এদিকে আসামী জাহাঙ্গীর আলম কালা জেল থেকে বিভিন্ন লোক মারফত হুমকি দিচ্ছে যে, জেল থেকে বের হয়ে এসে আমাকে ও আমার পরিবারের সদস্যদেরকে প্রাণে হত্যা করবে। উল্লেখিত আসামী ও তার পিতার হুমকি অব্যাহত থাকায় বর্তমানে আমি ও আমার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছি’। সংবাদ সম্মেলনে হাফিজ মিরাজ উদ্দিন, সাদত হোসাইন, রইছ আলী, বেদাই মিয়া, নওয়াব আলীসহ উপস্থিত গ্রামবাসী অভিযোগ করেন, আসামী জাহাঙ্গীর আলম কালা একজন লম্পট ও দুস্কৃতিকারী হিসেবে এলাকায় ব্যাপক পরিচিত। তার চুরি, ডাকাতি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজী, নারী ও শিশু নির্যাতন, অসামাজিক কার্যকলাপে এলাকাবাসী আতঙ্কিত ও নিরাপত্তাহীন। তার ভয়ে শিশুরা বিদ্যালয়ে যাওয়াও কমিয়ে দিয়েছে।

Pin It on Pinterest

Share This

By continuing to use the site, you agree to the use of cookies. more information

The cookie settings on this website are set to "allow cookies" to give you the best browsing experience possible. If you continue to use this website without changing your cookie settings or you click "Accept" below then you are consenting to this.

Close