অবশেষে জামিনে মুক্তি পেলেন ফটো সাংবাদিক ইদ্রিস আলী

idris_28.10.15সুরমা টাইমস ডেস্কঃ ব্লগার অনন্ত বিজয় দাশ হত্যা মামলায় ষড়যন্ত্রমূলকভাবে গ্রেফতার হওয়া ফটো সাংবাদিক ইদ্রিস আলী জামিনে মুক্তি লাভ করেছেন। আজ (বুধবার) দুপুরে তিনি সিলেট মহানগর দায়রা জজ আকবর হোসেন মৃধার আদালত থেকে জামিন লাভ করেন। এরপর সন্ধ্যায় সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান ইদ্রিস। সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার ছগির মিয়া জানিয়েছেন, আদালতের জামিন আদেশের প্রেক্ষিতে সন্ধ্যায় ইদ্রিস আলী জেল থেকে ছাড়া পেয়েছেন। ইদ্রিস আলী দৈনিক সংবাদ ও স্থানীয় দৈনিক সবুজ সিলেট’র ফটো সাংবাদিক হিসেবে কাজ করেন। গত ৭ জুন সিলেট নগরী থেকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে সিআইডি পুলিশ ইদ্রিসকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের পর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আরমান আলী দাবি করেছিলেন, অনন্ত বিজয় হত্যার সাথে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরপর ৮ জুন আদালতের মাধ্যমে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয় ইদ্রিস আলীকে। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদেও ইদ্রিসের কাছ থেকে গুরুত্বর্পূ তথ্য পাওয়া গেছে বলে দাবি করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তবে কী তথ্য পাওয়া গেছে তা জানানো হয়নি। প্রায় পাঁচ মাস কারাভোগের পর আজ জামিনে মুক্তি লাভ করলেন ইদ্রিস আলী। সিলেট
মহানগরীর সুবিদবাজার বনকলাপাড়া এলাকায় ১২ মে সকালে ব্লগার ও বিজ্ঞান বিষয়ক লেখক অনন্ত বিজয় দাশকে কুপিয়ে হত্যা করা হন। আনসার বাংলা ৮ নামের একটি সংগঠন এই হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে।
এ হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে ওই রাতেই অজ্ঞাত পরিচয় ৪ জনকে আসামি করে অনন্ত বিজয় দাশের বড়ভাই রত্নেশ্বর দাশ বাদী হয়ে সিলেট বিমানবন্দর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। প্রথমে পুলিশ তদন্ত করলেও পরে মামলাটির তদন্তভার সিআইডি’র অর্গানাইজড ক্রাইম বিভাগকে দেওয়া হয়েছে। ইদ্রিস আলীর পর সিলেটের কানাইঘাট থেকে গ্রেফতার করা শাবি ছাত্র মান্নান রাহি আদালতে অনন্ত বিজয় হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি প্রদান করে।

Pin It on Pinterest

Share This

By continuing to use the site, you agree to the use of cookies. more information

The cookie settings on this website are set to "allow cookies" to give you the best browsing experience possible. If you continue to use this website without changing your cookie settings or you click "Accept" below then you are consenting to this.

Close