ছাত্রলীগ নেতার হাত-পায়ের রগ কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা

ছাত্রদল-শিবির এই ঘটনা ঘটিয়েছে : আজাদ

ponkiসুরমা টাইমস ডেস্কঃ নগরীর উপকণ্ঠ শাহপরান গেইট এলাকায় থানা ছাত্রলীগ নেতা পংকির দু’পায়ের রগ কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় পংকিকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে তার অস্ত্রোপচার চলছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় ছাত্রলীগ ছাত্রদল ও শিবিরকে দায়ী করেছে। মহানগর আওয়ামী লীগের শিক্ষা সম্পাদক কাউন্সিলর আজাদুর রহমান আজাদ ছাত্রলীগ নেতা পংকির ওপর ছাত্রদল ও শিবির প্রাণনাশের জন্য হামলা করেছে।
জানা যায়, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে শাহপরান গেইট এলাকায় বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিচ্ছিলেন পংকি। এসময় মোটরসাইকেলে করে একদল যুবক তার উপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা তার দুই পায়ের রগ কেটে দেয় এবং হাঁটুতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ দেয়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন শাহপরান থানার ওসি সাখাওয়াত হোসেন।
সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এম. রায়হান চৌধুরী গনমাধ্যমকে বলেন, মাসখানেক আগে শাহপরান গেইট এলাকায় শিবিরের একটি ব্যানার টানানো ছিল। পংকি ওই ব্যানার নামিয়ে ফেলে। এরপর থেকে শিবির তাকে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিল।
তিনি বলেন, গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা মিলে পংকির উপর হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করেছে। আশংকাজনক অবস্থায় তাকে ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ওসমানি হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. আব্দুস সালাম জানান, তার পায়ে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। তবে তার পায়ের কোন রগ কাটেনি। বর্তমানে পংকি আশংকামুক্ত রয়েছে। শাহপরান থানার ওসি সাখওয়াত জানান, বিষয়টি তদন্তাধিন আছে। কারা পংকির ওপর হামলা চালিয়েছে কোনো তথ্য পেয়েছেন কিনা-এমন প্রশ্নে ওসি আহত পংকির মামার বরাত দিয়ে বলেন, ‘ওর মামা বলেছেন আলী নামের এক যুবক তার এক সহযোগী নিয়ে পংকিকে কুপিয়েছে।’ তবে আলী কোন রাজনৈতিক দলের সাথে জড়িত তা এখনও সনাক্ত করতে পারেননি বলে জানিয়েছেন তিনি।

Pin It on Pinterest

Share This

By continuing to use the site, you agree to the use of cookies. more information

The cookie settings on this website are set to "allow cookies" to give you the best browsing experience possible. If you continue to use this website without changing your cookie settings or you click "Accept" below then you are consenting to this.

Close