অধ্যক্ষ্যকে ফাসাতে গিয়ে নারী সহ দুই ভুয়া সাংবাদিক আটক

fake fournalist arrestedসুরমা টাইমস ডেস্কঃ দক্ষিণ সুরমার ভোকেশনাল স্কুল এন্ড কলেজ থেকে বুধবার ভুয়া সাংবাদিকসহ ৩ জনকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয় জনতা। আটককৃতরা হচ্ছে- গোলাপগঞ্জ থানা হেতিমগঞ্জ নিজতলা গ্রামের মহিউদ্দিন আহমদের পুত্র বেলায়েত হোসেন সবুজ (২৭), একই ঠিকানার মৃত শিবু চন্দ্র শীলের পুত্র শুভ্র চন্দ্র শীল ও সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার কলিমপুর গ্রামের মৃত মতি মিয়ার মেয়ে ফারহানা বেগম (২০)। বর্তমানে দক্ষিণ সুরমা থানা খোজারখলা এলাকার জামাল মিয়ার কলোনীতে বাস করে ফারহানা।
কলেজের অধ্যক্ষ মো. ছাইদুর রহমান জানান, বেলা ২টার দিকে যোহরের নামাজ পড়ে তিনি টেকনিক্যাল রোডস্থ বাসায় দুপুরের খাবার খেতে বসেন। দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ পেয়ে তিনি দরজা খুলেন। দরজা খোলার পর একটি মেয়ে তার পা জড়িয়ে ধরে বলে-‘স্যার আমাকে বাঁচানআমি এই স্কুলের ছাত্রী। আমাকে ৩/৪টা ছেলে তাড়া করেছে।’
তখন অধ্যক্ষ নিচে নেমে ২জন পিয়নকে ডেকে বিষয়টি দেখতে বলেন। তাৎক্ষনিকভাবে আরো ২জন এসে এই মেয়েটির ছবি তুলে নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ২৫ হাজার টাকা দাবী করে। টাকা যদি না দেয়া হয়-তাহলে অনৈতিকতার জন্য চ্যানেল ও পত্রিকায় রিপোর্ট করবে বলে হুমকি দেয় অধ্যক্ষকে। এক পর্যায়ে অধ্যক্ষ চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং তাদের তিনজনকে একটি কক্ষে তালাবদ্ধ করে রাখেন। বিষয়টি দক্ষিণ সুরমা পুলিশ ফাঁড়িকে জানানো হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে ৩জনকে আটক করে ফাঁড়িতে নিয়ে যায়। তাদের কাছে ৬টি মোবাইল সেট, ১টি মুভি ক্যামেরা, ১টি সনি মিনি ষ্টীল ক্যামেরা, ২টি মডেম, ২টি পেনড্রাইভ, চ্যানেল সেভেন নামে মনোগ্রামসহ ১টি মাইক্রোফোন পাওয়া যায়।
সুরমা পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ এস আই শফিকুল ইসলাম খান জানান, আটকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা মালামাল জব্ধ করা হয়েছে বলে জানান তিনি। ব্ল্যাকমেইলিং এর জন্য তারা ওই বাসায় গিয়েছিল বলে জানান এসআই শফিক।

Pin It on Pinterest

Share This

By continuing to use the site, you agree to the use of cookies. more information

The cookie settings on this website are set to "allow cookies" to give you the best browsing experience possible. If you continue to use this website without changing your cookie settings or you click "Accept" below then you are consenting to this.

Close