ভুল চিকিৎসায় যুবকের মৃত্যু : রাগীব-রাবেয়া হাসপাতাল ভাঙচুর

Ragib Rabeya 12-08-2014সুরমা টাইমস ডেস্কঃ ভুল চিকিৎসায় এক যুবকের মৃত্যুর অভিযোগে জালালাবাদ রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভাঙচুর করেছেন রোগীর স্বজনরা। মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে এ ঘটন ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। মৃত যুবকের নাম মো. কবীর আলী। তিনি সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারাবাজার উপজেলার পালাই গ্রামের মৃত ছিনাত উল্লাহর ছেলে। এ ঘটনায় হাসপাতালের দুই চিকিৎসককে বরখাস্ত ও তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কবীর আলীর বোন হেনা বেগম জানান- হঠাৎ করে কবীর আলীর নাক ও মুখ দিয়ে রক্ত বের হওয়া শুরু হলে মঙ্গলবার বেলা ২টার দিকে তাকে জালালাবাদ রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে ভর্তির পর প্রাথমিক চিকিৎসা নেয়ার পরই কবীর আলীর রক্তপড়া বন্ধ হয়ে যায় এবং তিনি সুস্থবোধও করেন। তিনি হাসপাতালের বেড থেকে নেমে হাটাচলাও করেন।
হেনা বেগম জানান- কবীর সুস্থ হয়ে ওঠলে বিকেল ৩টার দিকে তারা বাড়ি ফিরে যেতে চান। এসময় একজন চিকিৎসক একটি ইনজেকশন লিখে দেন। নার্স ওই ইনজেকশন পুশ করার পর কবীরের মাঝে অস্থিরতা দেখা দেয়। এসময় তাকে হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) স্থানান্তর করা হয়।
হেনা বেগমের অভিযোগ আইসিইউতে নিয়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ পরই তার ভাই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। কিন্তু চিকিৎসকরা তা গোপন রাখেন। রাত ৮টার দিকে তাদেরকে মৃত্যুর খবর দেয়া হয়। চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসায় কবীরের মৃত্যু হয়েছে বলে হেনা অভিযোগ করেন।
কবীরের মৃত্যুর পর ভুল চিকিৎসার অভিযোগ এনে কবীরের স্বজন ও হাসপাতালে থাকা অন্য রোগীদের স্বজনরা ভাঙচুর চালান। খবর পেয়ে জালালাবাদ থানার এসআই বেনু ও মোবারক একদল পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। তারা হাসপাতালের প্রধান ফটক বন্ধ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
এদিকে কবীরের স্বজনদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে হাসপাতালের দুই চিকিৎসককে বরখাস্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি ঘটনা তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।

Pin It on Pinterest

Share This

By continuing to use the site, you agree to the use of cookies. more information

The cookie settings on this website are set to "allow cookies" to give you the best browsing experience possible. If you continue to use this website without changing your cookie settings or you click "Accept" below then you are consenting to this.

Close