কনে দেখতে গিয়ে চা পানে ২৬ জন হাসপাতালে!!

61772ডেস্ক রিপোর্টঃ পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে এক বাড়িতে কনে দেখার অনুষ্ঠানে ভুলবশত কীটনাশক দিয়ে তৈরি চা পান করে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন শিশুসহ দুই পক্ষের ২৬ জন।
অসু্স্থদের তাৎক্ষণিকভাবে দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলার সোনাহার এলাকায় বালাপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে বর আপন রায় (২৮), দীলিপ চন্দ্র রায় (২৮), ফণিভূষণ রায় (৩২), শশোধর রায় (৫০) ও কনের দাদু তৈলক্ষ রায়ের (৮০) নাম পাওয়া গেছে। আহতদের মধ্যে বর পক্ষের ৯ জন ও কনে পক্ষের ১৭ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

স্থানীয়রা জানায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নীলফামারী জেলা সদরের চওড়া দলুয়াপাড়া এলাকার সুরেন্দ্রনাথ রায়ের ছেলে আপন রায়ের কনে দেখতে তার পরিবারের লোকজন নিয়ে দেবীগঞ্জের সোনাহার এলাকার বালাপাড়ায় শশোধরের বাড়িতে আসে। মেয়ে দেখার পর শেষে দুই পরিবারের লোকজন চা পান করেন। চায়ের দানা মনে করে ভুলবশত কীটনাশক দিয়ে তৈরি চা পরিবেশন করা হয়। এর কিছুক্ষণ পরই যারা চা পান করেছিলেন তাদের গলা ও বুকে জ্বালাপোড়া শুরু হয়। মুহূর্তেই দুই পরিবারের ২৬ জন গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন।

পরে স্থানীয়রা তাদের দ্রুত দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করে। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক বিষক্রিয়ায় তারা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলে সনাক্ত করে প্রত্যেকের পেট থেকে পাইপের সাহায্যে বিষ বের করেন। পরে কনের দাদু শশোধরের বাবা তৈরক্ষ রায়ের অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মেডিক্যাল অফিসার বিকাশ চন্দ্র রায় জানান, ভুলবশত কীটনাশকযুক্ত চা পান করে ওই ২৬ অসুস্থ হয়ে পড়েছে। অসুস্থদের বিষ বের করা হয়েছে। এদের মধ্যে একজন বৃদ্ধের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

বাকি সবার অবস্থা স্থিতিশীল। সোনাহার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রহিমুল ইসলাম বুলবুল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

Pin It on Pinterest

Share This

By continuing to use the site, you agree to the use of cookies. more information

The cookie settings on this website are set to "allow cookies" to give you the best browsing experience possible. If you continue to use this website without changing your cookie settings or you click "Accept" below then you are consenting to this.

Close