মৌলভীবাজারে পানসি রেষ্টুরেন্টের খাবারে প্রায়শঃই মিলছে পিপড়া, টিকটিকি, তেলাপোকা

মোবাইল কোর্ট বার বার জরিমানা করলেও কর্তৃপক্ষ নির্বিকার

PANSE.3মশাহিদ আহমদ, মৌলভীবাজার ঃ মৌলভীবাজারে পানসি রেষ্টেুরেন্টের খাবারে প্রায়শঃই পাওয়া যাচ্ছে পিপড়া, টিকটিকি, তেলাপোকা ইত্যাদি। এসবকে কেন্দ্র করে রেষ্টুরেন্টটির ওয়েটার-ভোক্তা-ম্যানেজারের মধ্যে বাক-বিতন্ডা ইত্যাদি প্রায় নিত্ত-নৈমিত্তিক বিষয়ে পরিণত হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে- এ রেষ্টুরেন্টে বাসী খাবার পরিবেশন করা হয়। চা চকচকে রং ও গাঢ় করার জন্য চায়ের লিকারে পঁচা কাঁচা ডিম মেশানো হয়। মজুদকৃত মোরগের মধ্যে মরে যাওয়া মোরগ ফেলে না দিয়ে রান্না করা হয়। তরকারি চকচকে রং ও সুস্বাদু করতে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর রং ও রাসায়নিক মেশানো হয়। এসবের প্রেক্ষিতে- খাসীর মাংসের সাথে কুকুরের মাংসও মেশানো হতে পারে বলে অনেক ভোক্তার সন্দেহ। ভোক্তা অধিকার লংঘন করে নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রান্না এবং রান্নাকৃত খাবার ঢেকে না রাখাসহ নানা কারণে মোবাইল কোর্ট বার বার বড় অংকের জরিমানা আদায় করলেও, রেষ্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ নির্বিকার। পরিবেশ পরিস্থিতির নেই কোন উন্নতি। সর্বশেষ- আজ ১৬ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৪টায় দু’জন ভোক্তাকে পরিবেশিত শিককাবাবে তেলাপোকা পাবার পর, জঘন্য এ রেষ্টুরেন্টটি সিলগালা করে বন্ধ করে দেয়ার দাবী জানিয়েছেন সংক্ষুব্ধ ভোক্তারা। সর্বশেষ- ১৬ অক্টোবরের ঘটনার বিবরনে জানা গেছে- জেলার PANSE.2রাজনগর উপজেলাধীন করিমপুর গ্রামের মৃতঃ মোঃ আছকর মিয়ার পুত্র চেরাগ মিয়া তার শিশুপুত্র তোফায়েল আহমদকে সাথে নিয়ে পানসি রেষ্টুরেন্টে নাস্তা করতে এসে তুন্দুর রুটি ও শিককাবাবের অর্ডার দেন। ওয়েটার পরিবেশিত রুটি ও শিককাবাব খাবার একপর্যায়ে শিশুপুত্র তোফায়েল আহমদ তেলাপোকা-তেলাপোকা বলে চিৎকার করতে থাকে। এসময় তাদের বিপরীত দিকের চেয়ারে বসা দু’জন সাংবাদিক ওই শিশুপুত্রের শিককাবাবের প্লেটে মাংসের মধ্যে একটি মাঝারি আকারের তেলাপোকা দেখতে পান এবং তেলাপোকাযুক্ত শিককাবাবসহ প্লেটের ছবি ক্যামেরাবন্দি করেন। এসময় সংশ্লিষ্ট ওয়েটার এসে কেউ কিছু বুঝে উঠার আগেই প্রায় ছো মেরে তেলাপোকাযুক্ত শিককাবাবসহ প্লেটটি নিয়ে গাঢাকা দেয়। এসময় ওই দু’জন সাংবাদিক রেষ্টুরেন্ট ম্যানেজারকে ডেকে এনে তেলাপোকাযুক্ত শিককাবাবসহ প্লেটের ছবি দেখিয়ে কৈফিয়ত চাইলে ম্যানেজার কোন জবাব না দিয়েই সটকে পড়েন। এরই মধ্যে সেখানে উপস্থিত ভোক্তারা জঘন্য এ রেষ্টুরেন্টটি সিলগালা করে বন্ধ করে দেয়ার দাবী জানান। সর্বশেষ- ভোক্তাদের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

Pin It on Pinterest

Share This

By continuing to use the site, you agree to the use of cookies. more information

The cookie settings on this website are set to "allow cookies" to give you the best browsing experience possible. If you continue to use this website without changing your cookie settings or you click "Accept" below then you are consenting to this.

Close