বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে লাগাতার অবস্থান

mirzapur-picture-22_82968সুরমা টাইমস ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে দুইদিন ধরে টানা অবস্থান ধর্মঘট করে চলেছেন প্রেমিকা মিতু আক্তার। বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের কুইচতারা গ্রামে বিয়ের দাবিতে টানা এই অবস্থান চলছে।এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক হাস্য-রসের সৃষ্টি হয়েছে।এ খবর থানা পর্যন্ত পৌছানোর পর শুক্রবার দুপুরে মির্জাপুর থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) নুর মোহাম্মদ ঘটনাস্থলে ছুটে যান।প্রেমিকা মিতুর সঙ্গে কথা বলেন।তবে প্রেমিকার এই অনঢ় অবস্থান দেখে প্রেমিক ঘর ছেড়ে পালিয়ে গেছেন।
এসআই প্রেমিকাকে থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দিতে বললে প্রেমিকা বলেন, বিয়ে না হওয়া পর্যন্ত তিনি প্রেমিকের বাড়ি ছেড়ে কোথাও যাবেন না।
জানা গেছে, টাঙ্গাইলের বাশাইল উপজেলার সিঙ্গারডাক গ্রামের মৃত মো. জয়নাল আবেদীনের মেয়ে মিতু আক্তারের সঙ্গে মির্জাপুর উপজেলার কুইচতারা গ্রামের মো. তারা মিয়ার ছেলে খোকনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।
এক পর্যায়ে তারা শারীরিক সর্ম্পকে জড়িয়ে পড়েন। মিতু বিয়ের জন্য চাপ দিলে খোকন অস্বীকৃতি জানায়। এ অবস্থায় বৃহস্পতিবার বিকালে মিতু তার প্রেমিক খোকনের বাড়িতে অবস্থান নেয়। সন্ধ্যায় প্রেমিক খোকন কয়েকজন যুবককে পাঠিয়ে মিতুকে জোরপূর্বক বাড়ি থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু আশপাশের লোকজন এসে বাঁধা দেওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। তবে প্রেমিকা অভিযোগ করেন, ওই যুবকরা তার হাতে থাকা স্বর্ণের অলঙ্কার ও নগদ টাকা নিয়ে গেছে। মিতুর অবস্থানের খবর পেয়ে প্রেমিক খোকন বাড়ি থেকে সটকে পড়েছে বলে জানা গেছে।
এদিকে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অবস্থান নেওয়ার খবরে এলাকাবাসীর মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
প্রেমিকা মিতু আক্তার বলেন, বিয়ের প্রলোভন দিয়ে খোকন আমার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তুলে। এখন বিয়ের কথা বলায় সে অস্বীকার করে। এমতাবস্থায় আমি অন্য কোন উপায় না পেয়ে বিয়ের দাবিতে খোকনের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছি। বিয়ে না হওয়া পর্যন্ত তিনি বাড়ি ছাড়বেন না বলে জানিয়েছেন।
একই ব্যাপারে প্রেমিক খোকনের সঙ্গে মোবাইলে কথা হলে তিনি বলেন, মিতুর সঙ্গে আমার মন দেয়া নেয়ার কোন সম্পর্ক নেই। টাকার সর্ম্পক ছিল।
মির্জাপুর থানার পরিদর্শক (ওসি) মাইন উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মেয়ে অভিযোগ দিলে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Pin It on Pinterest

Share This

By continuing to use the site, you agree to the use of cookies. more information

The cookie settings on this website are set to "allow cookies" to give you the best browsing experience possible. If you continue to use this website without changing your cookie settings or you click "Accept" below then you are consenting to this.

Close