আসামীরা প্রকাশ্য থাকলেও পুলিশের কাছে পলাতক : ওসমানীনগরে মামলা করে নিরাপত্তাহীনতায় বাদিপক্ষ

শাহ মো. হেলাল,বালাগঞ্জঃ ওসমানীনগরে প্রভাবশালী প্রতিপক্ষের হামলার শিকার হয়ে থানায় মামলা দায়ের করে বিপাকে পড়েছে বাদিপক্ষ। দুস্কৃতিকারী প্রতিপক্ষের অব্যাহত হুমকীর মুখে বাড়ি থেকে বেরুতে পারছেনা বাদি ও তার পরিবারের লোকজন। আবার ও যে কোন সময় এই প্রভাবশালীরা হামলা করতে পারে বলে অভিযোগ করেছেন মামলার বাদি ।
এব্যাপারে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে এই হুমকি দাতাদের বিরুদ্ধে গত ২৭ জুলাই সিলেটের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রট ২য় আদালতে আরেকটি মামলা করেছেন বাদি আব্দুল আজিজ।
জানা যায়, উপজেলার পশ্চিম পৈলনপুর ইউপির গলমুকাপন গ্রামের আব্দুল আজিজ সাথে তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে গত ১জুলাই আজিজের ছোট ভাই করিমের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে জখম করে গুরুতর আহত করে একই গ্রামের লাল মিয়া রাজু সাজু নাজু রিজু গংরা। এ ঘটনার পর আব্দুল আজিজ গত ৪ জুলাই হামলাকারী লাল মিয়া, সাজু মিয়া, রাজু মিয়া, নাজু মিয়া, রিজু মিয়া, খালেদ আহমদ শীশকে অভিযুক্ত করে ওসমানীনগর থানায় মামলা দায়ের করেন । এর পর থেকে মামলার আসামিরা মামলা তুলে নিতে বিভিন্ন ভাবে হুমকি প্রদর্শন করে আসছে। প্রভাবশালী প্রতিপক্ষের ভয়ে ঠিক মতো ঘর থেকে বেরুতে পারছে না তারা।
এদিকে আজিজের মামলার আসামিরা প্রকাশ্যে থেকে হুমকী প্রদর্শন করলেও পুলিশের কাছে তারা পলাতক। ঘটনার ১মাস পেরুলেও কোন আসামীকে গ্রেফতার হয়নি। ইতিমধ্যে মামলার প্রধান আসামি লন্ডনে পালিয়ে গিয়েছে। অণ্র আসামিরা বাড়িতে প্রকাশ্যে ঘুরা ফেরা করছে।
ভুক্তভোগী ও মামলার বাদি আব্দুল আজিজ জানান, হামলার শিকার হয়ে মামলা করে বিপাকে পড়েছি। আসামীরা বিভিন্ন সময়ে রাস্তায় পেয়ে হামলার চেষ্টা করেছে। থানা থেকে মামলা তুলে নিতে আমার মোবাইল ফোনসহ প্রকাশ্যে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। নিরাপত্তার ব্যাপারে আদালতেও একটি মামলা করেছি এবং ওসমানীনগর থানা পুলিশকে মৌখিক ভাবে অবগত করেছি।
ওসমানীনগর থানার ওসি মুরসালিন বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। মামলার আসামিদের গ্রেফতারে সর্বাত্বক চেষ্টা চলছে।

Pin It on Pinterest

Share This

By continuing to use the site, you agree to the use of cookies. more information

The cookie settings on this website are set to "allow cookies" to give you the best browsing experience possible. If you continue to use this website without changing your cookie settings or you click "Accept" below then you are consenting to this.

Close