বিশ্বনাথে ছাত্রদলের দুই গ্রুপে ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষে আহত ২০ : ককটেল ও চকলেট বোমা বিষ্ফোরন

Bishwanath BNPবিশ্বনাথ প্রতিনিধিঃ বিশ্বনাথে ছাত্রদলের আহবায়ক কমিটিতে পদ না পাওয়ার জের ধরে দু’গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। গতকাল শনিবার বিকেল ৩টায় উপজেলা শহরে এ ঘটনা ঘটে। দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে উভয় গ্রুপের মধ্যে প্রায় ঘন্টা ব্যাপী সংঘর্ষ হয়। এসময় ৩টি ককটেল ও একটি চকলেট বোমা বিস্ফোরিত হয়। এতে উভয় গ্রুপের অনন্ত ২০ জন আহত হয়েছেন। গুরুত্বর আহত যুবদলের যুগ্ন-আহবায়ক নূরুল মিয়া কে হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানাগেছে। উভয় গ্রুপের অন্যান্য আহতরা হলেন ছাত্রদল নেতা তারেক আহমদ খজির, শাহ আমিরউদ্দিন, খালেদ আহমদ, জুনেদ আহমদ, আক্তার হোসেন, আহমদ আলী, সুজেল, শাহজাহান, নাজিমউদ্দিন, আব্দুস শহিদ, আজাদ, ছুনু, দুলাল, রুকেল, ওয়াসিম অন্যান্য আহতদের নাম জানাযায়নি। ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে উপজেলা শহরের বায়তুল আমান জামে মসজিদের বেশ কয়েকটি গ্লাস ভাংচুর করা হয়েছে। আতংকে বাজারের ব্যবসায়ী দোকান পাঠ বন্ধ করে দেন। স্কুল, কলেজের ছাত্র-ছাত্রী ও পদচারীরা দিকবেদিক ছুটাছুটি করতে থাকেন।
জানাগেছে, ছাত্রদলের আহবায়ক কমিটিতে ত্যাগী নেতাকর্মীরা দলে স্থান না পাওয়ায় কয়েকদিন ধরে আহবায়ক মতিউর রহমান সুমন ও সদস্য শাহ আমিরউদ্দিন গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করে। এমন পরিস্থিতি জেনে স্থানীয় বিএনপি উভয় গ্রুপ কে নিয়ে বসে বিষয়টি শেষ করা হয়। কিন্তু এতে শাহ আমিরউদ্দিন গ্রুপের নেতাকর্মীর দাবি-দাওয়া মেনে নেয়া হয়নি বলে জানাযায়। গতকাল মতিউর রহমান সুমন গ্রুপ আনন্দ মিছিল বের করবে এমন খবর জানতে পারায় শাহ আমিরউদ্দিন গ্রুপ মিছিল প্রতিরোধ করতে বাসিয়া সেতুর ওপর মিলিত হয়। টিক ৩টায় মতিউর রহমান সুমন তার দলের নেতাকর্মীকে নিয়ে মিছিল শুরু করলে আমির গ্রুপ মুখোমুখি হয়। শুরু হয় দু’পক্ষে ইটপাটকেল। দুপুর ১২ টায় দাবি না মানায় বিএনপি অফিসে তালা ঝুলিয়ে দেয় আমির গ্রুপ। পরে মতিউর রহমান গ্রুপের নেতাকর্মীরা এসে তালা ভেঙ্গে অফিসে ঢুকে অবস্থান নেয়।
এ ব্যাপারে ছাত্রদল নেতা শাহ আমিরউদ্দিন বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার দাবিতে ৫ জানুয়ারী বেগম খালেদা জিয়ার ডাকে সমাবেশ সফল, ইলিয়াস আলীর সন্ধান দাবিতে ও বিশ্বনাথ উপজেলা ছাত্রদলের পকেট কমিটি বাতিলের দাবিতে মিছিল বের করলে সুমন গ্রুপ হামলা চালায়। এতে বেশ কয়েকজন ছাত্রনেতা আহত হয়েছেন।
ছাত্রদলের আহবায়ক মতিউর রহমান সুমন বলেন, ছাত্রদল নামধারী কিছু সন্ত্রাসী বিএনপি অফিসে হামলা করে। এসময় সন্ত্রাসী হামলায় ১০-১২ জন ছাত্রনেতা আহত হয়েছেন।
উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মো. লিলু মিয়া চেয়ারম্যান বলেন, পুরোপুরিভাবে অবগত নয়। থানার অফিসার ইন-চার্জ মো. রফিকুল হোসেন বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক। জানমালের কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে জানিয়েছেন।

Pin It on Pinterest

Share This

By continuing to use the site, you agree to the use of cookies. more information

The cookie settings on this website are set to "allow cookies" to give you the best browsing experience possible. If you continue to use this website without changing your cookie settings or you click "Accept" below then you are consenting to this.

Close