কানাইঘাট ডনা সীমান্তে ভারতীয় খাসিয়ার গুলিতে এক বাংলাদেশী নিহত

কানাইঘাট (সিলেট) প্রতিনিধি: কানাইঘাট উপজেলার লক্ষীপ্রসাদ পূর্ব ইউপির সোনারখেওড় সীমান্তবর্তী বাংলাদেশ সীমানার ১৩২৯নং মেইন পিলারের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে গত রবিবার আব্দুল খালিক (২০) নামে এক বাংলাদেশী যুবককে ধরে নিয়ে গুলি করে হত্যা করেছে ভারতীয় অস্ত্রধারী খাসিয়ারা। নিহত আব্দুল খালিকের লাশ বর্তমানে ভারতের সীমান্ত রক্ষী লামাছাকী বিএসএফ ক্যাম্পের হেফাজতে রয়েছে বলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া জানিয়েছেন। লাশ হস্তান্তর নিয়ে গতকাল সোমবার সীমান্তের ১৩২৯নং মেইন পিলারের পাশে বিএসএফ ও বিজিবি জোয়ানদের মধ্যে এক পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে ভারতীয় পক্ষে নেতৃত্ব দেন বিএসএফের পক্ষে কোম্পানী কমান্ডার এসি ইয়াদব এবং বাংলাদেশ পক্ষে নেতৃত্ব দেন ডনা ক্যাম্প কমান্ডার নায়েব সুবেদার মামুনুর রশিদ। জানা যায়, ভারতীয় বিএসএফ আইনী প্রক্রিয়া শেষে নিহত আব্দুল খালিকের লাশ দনা বিজিবি ক্যাম্পের জোয়ানদের কাছে হস্তান্তর করবে বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া। গত রবিবার বিকেল অনুমানিক ৪টার দিকে কানাইঘাট সীমান্তবর্তী সোনারখেওড় গ্রামের আতাউর রহমান আতাইর পুত্র আব্দুল খালিক ও একই গ্রামের নুরুল হকের পুত্র খালিক আহমদ সহ কয়েকজন সীমান্তবর্তী একটি সুপারি বাগান থেকে সুপারি ক্রয় করে আসার সময় এসময় ভারতীয় অস্ত্রধারী খাসিয়ারা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে গুলি করে আব্দুল খালিককে হত্যা করে লাশ ভারতীয় সীমান্তে নিয়ে ফেলে রেখে যায়। পরবর্তীতে আব্দুল খালিকের সহযোগী খালিক আহমদ বিষয়টি ডনা বিজিবি ক্যাম্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত নায়েব সুবেদার মামুনুর রশিদকে অবহিত করলে বিজিবি সদস্যরা তার কাছ থেকে পুরো ঘটনাটি জেনে ভারতের সীমান্তরক্ষী বিএসএফের সাথে রাতেই যোগাযোগ শুরু করে পত্র প্রদান করেন। এ ব্যাপারে ডনা বিজিবি ক্যাম্পের নায়েব সুবেদার মামুনুর রশিদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আব্দুল খালিকের লাশ বর্তমানে বিএসএফের হেফাজতে রয়েছে। সকল ধরণের আইনী প্রক্রিয়া শেষে নিহত আব্দুল খালিকের লাশ আমাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

Pin It on Pinterest

Share This

By continuing to use the site, you agree to the use of cookies. more information

The cookie settings on this website are set to "allow cookies" to give you the best browsing experience possible. If you continue to use this website without changing your cookie settings or you click "Accept" below then you are consenting to this.

Close