পাঠানটুলা ও মিরাবাজারে শিবির-পুলিশ সংঘর্ষে আহত ১০ : আটক ৪

shibir police 29-10-2014সুরমা টাইমস রিপোর্টঃ নিজামীর ফাঁসির রায়ের প্রতিবাদে মিছিল কে কেন্দ্র করে নগরীর পাঠানটুলা ও মিরাবাজারে পুলিশের সাথে জামাত-শিবির ক্যাডারদের সংঘর্ষ হয়েছে। সংথর্ষে১০ জন আহত ও ৪ শিবির ক্যাডার কে আটক করেছে বলে জালালাবাদ ও কতোওয়ালী থানা পুলিশ সিলেটের কণ্ঠ টুয়েন্টি ফোর ডটকম কে জানিয়েছে।
জালালাবাদ থানা পুলিশ জানায়, সন্ধার সারে পাচঁটার দিকে পাঠানটুলা এলাকায় ঝটিকা মিছিল বের জামাত-শিবির নেতাকর্মীরা। এ সময় তারা আতঙ্ক সৃষ্টি করতে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরন ঘটায়। বেশ কয়েকটি সিএনজি ও অটোরিকসা ভাংচুর করে বলে জানা গেছে। পুলিশ তাদের বাঁধা দিলে পুলিশের সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে জামাত-শিবির ক্যাডাররা তাদের উপর চরাও হয়। পুলিশকে লক্ষ্য শুরু করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে পুলিশ কয়েক রাউন্ড গুলি চালালে এতে কয়েকজন জামাত-শিবির কর্মী আহত হয়। পরে জামাত-শিবির কর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ৩ জামাত শিবির ক্যাডার কে আটক করে বলে জানা গেছে।
এদিকে হরতালের সমর্থনে জামাত-শিবির কর্মীরা নগরীর মিরাবাজারে আরো একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে। সেখান থেকে কোতোওয়ালী থানা পুলিশ একজন কে আটক করে বলে জানা গেছে। প্রতক্ষ্যদর্শীরা জানায় সন্ধায় ছয়টার দিকে জামাত-শিবির কর্মীরা জামেয়া স্কুলের গলিতে থেকে বের হয়ে মিরাবাজার প্রধান সড়কে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে। মিছিল থেকে বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরন ঘটালে পুরো মিরাবাজার এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পরে। ব্যাবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ করে দেয়। এ সময় মিছিলটি মডেল স্কুলের কাছে ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। পরে জামাত-শিবির নেতাকর্মীরা পুরাতন মিরাবাজার গলির ভেতর ঢুকে যায়। সেখানে পুলিশ এসে তাদের কে ধাওয়া করে। পুলিশের ধাওয়া খেয়ে জামাত-শিবির নেতাকর্মীরা বিভিন্ন গলি ও বাসাবাড়ীর ভেতর ডুকে যায়। ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে পুলিশ একজন কে আটক করে।

Pin It on Pinterest

Share This

By continuing to use the site, you agree to the use of cookies. more information

The cookie settings on this website are set to "allow cookies" to give you the best browsing experience possible. If you continue to use this website without changing your cookie settings or you click "Accept" below then you are consenting to this.

Close