রাজনগরে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন : আটক ৪

নুরুল ইসলাম শেফুলঃ মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার ইসলামপুর গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে নিজ ভাই ও ভাতিজার হাতে খুন হয়েছেন লুদি মিয়া(৪৫)।জানা যায়,ইসলামপুর গ্রামের মৃত ফয়াজ উল্যার পুত্র আলতা মিয়ার সাথে জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ বিরোধ চলে আসছিল।বুধবার সকাল ৯ ঘটিকায় নিহত লুদি মিয়া সিএনজি যোগে মৌলভীবাজার যাবার পথে আলতা মিয়ার বাড়ীর সামনে এলে পথিমধ্যে বসে থাকা ভাতিজা আনোয়ার মিয়া(২৫) লুদি মিয়াকে সিএনজির ভিতর থেকে টেনে-হেঁছড়ে বাহিরে বের করে হাতে থাকা দাঁ দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপাতে থাকে।প্রান বাঁচাতে লুদি মিয়া রাস্তা দিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যেতে চাইলে আলতা মিয়া সহ তার স্ত্রী কন্যা তার গতিরোধ করে পাশের ডোবায় ফেলে মারধর করতে থাকলে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়।খবর পেয়ে গ্রামবাসী আলতা মিয়া,আনোয়ার মিয়া সহ তার স্ত্রী কন্যাকে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেয়।পুলিশ এসে আটক ৪ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যায়,এবং লাশ ময়না তদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে।সাংবাদিকরা সরেজমিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আটককৃতদের ছবি উঠাতে থানায় গেলে রাজনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) নাজিম উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান,এব্যাপারে এখনো থানায় কোন মামলা দায়ের হয়নাই,তাই কে আসামী আর কে বাদী তা সনাক্ত করা যায়নি বলে এই মুহুর্থে ছবি দেয়া যাচ্ছেনা।তিনি আরো জানান,আটককৃত ৪ জনের মধ্যে একজন হত্যার সাথে জড়িত বলে স্বীকারোক্তি প্রদান করেছে,কিন্তু বাকিদের ৩ জনের মধ্যে হয়ত ভিকটিম হবে।পুলিশের এ বক্তব্যের সত্যতা যাচাই করতে সাংবাদিকরা নিহতের বাড়ী পৌছালে দেখা যায়,নিহতের ৪ শিশু সন্তানের কান্নায় বাতাস ভারী হয়ে উঠছে।প্রত্যেক্ষদর্শী মানুষজন সহ নিহতের সন্তান ও স্ত্রী সাংবাদিকদের কাছে কান্না জড়িত কন্ঠে জানান,আটক ৪ জনই লুদি মিয়াকে হত্যা করেছে।এবং লাশ দাপনের পর-পরই নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করবেন।এলাকাবাসীর অভিযোগ স্থানীয় একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি ঘটনা টিকে অন্যদিকে মোড় দিতে উঠেপড়ে লেগেছেন।

Pin It on Pinterest

Share This

By continuing to use the site, you agree to the use of cookies. more information

The cookie settings on this website are set to "allow cookies" to give you the best browsing experience possible. If you continue to use this website without changing your cookie settings or you click "Accept" below then you are consenting to this.

Close