দিরাইয়ে নিখোঁজের দু’দিন পর আবাসিক হোটেল থেকে যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

derai mapদিরাই প্রতিনিধি : দিরাইয়ে নিখোঁজের ২ দিন পর আবাসিক হোটেল থেকে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। তার নাম রতিশ চন্দ্র সরকার (২৮) সে দিরাই উপজেলা একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের তাড়ল ইউনিয়ন মাঠ কর্মী ও পার্শ্ববর্তী শাল্লা উপজেলার আধিত্যপুর গ্রামের রবিন্দ্র সরকারের ছেলে।

মঙ্গলবার ১ টায় নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আলতাফ হোসেনের উপস্থিতিতে হোটেল আলী ব্রাদার্স এর ৩য় তলার ৩৮ নাম্বার কক্ষ থেকে দরজা ভেঙ্গে তার জুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। হোটেল কর্তৃপক্ষ ও দিরাই উপজেলা একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের কর্মকর্তা প্রিয়ব্রত রায় জানান,প্রতিদিনের ন্যায় ১লা নভেম্বর রতিশ সরকার তার কর্মক্ষেত্র তাড়ল ইউনিয়নে ভাঙ্গাডহর গ্রামে যাওয়ার জন্য অফিস থেকে বের হন। দুপুরের দিকে তার পরিবারের লোকজন জানান, রতিশ ফোন ধরতেছে না।

পরে আমার ফোন ও সে রিসিভ করেনি। কিছুক্ষণ পর তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এরপর বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুজি করে তার কোন সন্ধান না পেয়ে অফিসের পরামর্শে দিরাই থানায় সাধারণ ডাইরী করা হয়। গতকাল সকাল বেলা হোটেল আলী ব্রাদার্সে ১ ব্যাক্তির ঝুলন্ত লাশের খবর পাওয়া যায়।

হোটেল ম্যানেজার আব্দুস সুবহান জানান, ১লা নভেম্বর সন্ধ্যায় রতিশ সরকার রুহেল দাস ,পিতা-রিমন চৌধুরী নামে রেজিষ্টারে নিজ হাতে নাম লিপিবদ্ধ করে ৩য় তলার ৩৮ নাম্বার কক্ষে উঠেন। পরদিন রাতে হোটেল কর্মচারীরা ভাড়ার জন্য তার কক্ষে ডাকাডাকি করলে ভিতর থেকে দরজা বন্ধ দেখে ঘুমিয়ে গেছে মনে করে চলে যান। গতকাল সকালে আবার ও ডাকাডাকি করলে তার কোন সাড়া না পেয়ে সন্দেহ হয়। এরপর বিষয়টি দিরাই থানা পুলিশ কে অবহিত করা হয়। দিরাই থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) এবি.এম দেলোয়ার হোসেন জানান, উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও নির্বাহী কর্মকর্তা আলতাফ হোসেনের উপস্থিতিতে দরজা ভেঙ্গে কক্ষে প্রবেশ করে নিখোঁজ রতিশের মৃত দেহ সনাক্ত করার পর ময়না তদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে।

Pin It on Pinterest

Share This

By continuing to use the site, you agree to the use of cookies. more information

The cookie settings on this website are set to "allow cookies" to give you the best browsing experience possible. If you continue to use this website without changing your cookie settings or you click "Accept" below then you are consenting to this.

Close