মাধবপুরে চুরির অপবাদে শিশু নির্যাতন : দোকান মালিক গ্রেফতার

pic-02-28.09হামিদুর রহমান,মাধবপুর থেকে : মাধবপুর উপজেলা সদরে চুরির অপবাদে এক শিশুকে বার্থরুমে আটকে রেখে নির্যাতন করার অভিযোগে বশির ষ্টোরের মালিক লেচু মিয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার রাত সাড়ে ১০টায় থানার এস.আই.মমিনুল ইসলাম বাজার থেকে লেচু মিয়াকে গ্রেফতার করেন। পুলিশ ও নির্যাতনের শিকার শিশু জানায়- প্রায় ২৬ দিন আগে উপজেলার বুল্লা ইউনিয়নের বানেশ্বর গ্রামের মৃত মিন্টু মিয়ার ছেলে লেচু মিয়ার মালিকাধীন উপজেলা সদরের ষ্টেডিয়াম পাড়ায় অবস্থিত বশির ষ্টোরে চাকুরী নেয় একই গ্রামের জালালউদ্দিনের ছেলে জামাল উদ্দিন (১০)। ঈদের আগের দিন জামালের বাবা ছেলেকে ঈদ করার জন্য নিতে আসে কিন্তু লেচু মিয়া তাকে ছুটি দেয়নি। ওই দিন রাতে ৫ শত টাকা চুরির অপবাদ দিয়ে জামালকে বার্থরুমে হাত-পা বেধেঁ আটকে রেখে প্রচন্ড pic-madhabpur-01-28.09মারধোর করে একটি দাঁত ফেলে দেয় এবং মাথার চুল কেটে দেয়। খবর পেয়ে ঈদের দিন সকালে জালালউদ্দিন গুরুত্বর আহত অবস্থায় ছেলেকে উদ্ধার করে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেকে নিয়ে চিকিৎসা দেয়। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (পেইজবুক)’এ প্রকাশিত হলে থানা পুলিশের নজরে আসে। থানার অফিসার ইনচার্জ মোল্লা মনির হোসেন তাৎক্ষনিক শিশু নির্যাতনকারীকে গ্রেফতারের নিদের্শ দেন। ইনচার্জ মোল্লা মনির হোসেন জানান, এ ব্যাপারে জামালউদ্দিনের বাবা জালালউদ্দিন বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছে। জালালউদ্দিন থানায় মামলা করায় লেচু মিয়ার লোকজন ক্ষুদ্ধ হয়ে তাকে মামলা তুলে নেয়ার জন্য হুমক্কি দিতে থাকে। ফলে জালালউদ্দিন ২৮ সেপ্টেম্বর থানায় জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে একটি সাধারন ডায়েরি করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস.আই মমিনুল ইসলাম জানান, নির্যাতনের শিকার শিশু জামালউদ্দিনের জবানবন্দী গ্রহনের জন্য হবিগঞ্জ বিচারিক আদালতে পাঠানো হয়েছে। এদিকে সোমবার সকালে শিশু নির্যাতনকারী লেচু মিয়াকে হবিগঞ্জ বিচারিক আদালতে হাজির করলে বিজ্ঞ বিচারক তার জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নিদের্শ দেন।

Pin It on Pinterest

Share This

By continuing to use the site, you agree to the use of cookies. more information

The cookie settings on this website are set to "allow cookies" to give you the best browsing experience possible. If you continue to use this website without changing your cookie settings or you click "Accept" below then you are consenting to this.

Close