মৌলভীবাজারের ব্যবসায়ীকে নির্যাতন : প্রথম আলো প্রতিনিধিসহ ১৩ জনের উপর মামলা

MB-news2মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে গত ৬ সেপ্টেম্বর রাতে একজন ব্যবসায়ীকে ডেকে নিয়ে এক প্রবাসীর বাসায় আটকিয়ে হাত পা বেধে বেদড়কভাবে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা করার ও তার বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে ১৩ সেপ্টেম্বর রোববার শমশেরনগরে মাননবন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। শমশেরনগর বণিক কল্যাণ সমিতির আয়োজনে বাজারের সহস্রাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত প্রখর রোদে দাঁড়িয়ে ব্যবসায়ীরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। মানববন্ধন কর্মসূচি এক পর্যায়ে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে রূপ নেয়। বক্তারা বলেন, অবিলম্বে নির্যাতনকারী সন্ত্রাসী শামছুল ও ফারুক মেম্বারসহ তাদের দোসরদের গ্রেফতার করে দৃষ্ঠান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।
ব্যবসায়ীকে নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন শমশেরনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জুয়েল আহমদ, বণিক কল্যাণ সমিতির সাধারন সম্পাদক আব্দুল হান্নান, জাপা কমলগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি মো: দুরুদ আলী, সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল মোহিত, ইউপি সদস্য তাজুদ আলী, মাসিক চা মজদুর পত্রিকার সম্পাদক ইউপি সদস্য সীতারাম বীন, ব্যবসায়ী আব্দুল মালিক, এম এ আউয়াল উজ্জল, বণিক কল্যাণ সমিতির সাবেক সম্পাদক মুহিবুর রহমান, হাজী জায়ফর আলী, ব্যবসায়ী নেতা আব্দুল বাতেন প্রমুখ। মানববন্ধন কর্মসূচিতে এক পর্যায়ে বিক্ষোভে রূপ নিলে শমশেরনগর ফাঁড়ির উপ-সহকারী পরিদর্শক জিয়াউল ইসলাম বক্তব্য রেখে ব্যবসায়ী বিক্ষোভকারীদের শান্তনা প্রদান করেন।
শমশেরনগর ইউপি চেয়ারম্যান জুয়েল আহমদ তার বক্তব্যে আরও বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে মুমুর্ষ অবস্থায় নির্যাতিত ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করার সময় আলমত দেখে বুঝা যায়, ব্যবসায়ী আব্দুল কাইয়ূমকে হত্যা করে পরে তার লাশ গুম করার ব্যবস্থা করা হে সভাপতি য়ছিল। এত বড় ঘটনার পর উল্টো নির্যাতিত ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার দেখিয়ে একটি চুরির মামলা দেওয়া হয়। এমনকি ১০ সেপ্টেম্বর থানায় অভিযুক্ত প্রবাসী শামছুলকে থানায় বসিয়ে রেখে ইউপি চেয়ারম্যান ও প্রথম আলো প্রতিনিধিসহ ১৩ জনের উপর একটি হয়রানিমূলক সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে এবং নির্যাতিত কাইয়ুমের পরিবারকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি প্রদান করছে। এত বড় ঘটনার পরও কমলগঞ্জ থানা কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে শমশেরনগরের ব্যবসায়ীরা সন্দেহ প্রকাশ করছেন।
এছাড়া নির্যাতিত কাইয়ুমের সুষ্ঠু চিকিৎসা হচ্ছে না বলে অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাই এলাকাবাসীর দাবী উর্দ্ধতন পুলিশি তদন্তে প্রকৃত ঘটনাটি বেরিয়ে আসবে। প্রথম আলো প্রতিনিধিসহ ১৩ জনের উপর একটি হয়রানিমূলক সাধারণ ডায়েরী করায় ও হুমকি প্রদান এর নিনদা জানান সাংবাদিক সমিতির মৌলভীবাজার ইউনিট সভাপতি হোমায়েদ শাহিন, সাধারন সম্পাদক আন হার আহমদ সমশাদ।

Pin It on Pinterest

Share This

By continuing to use the site, you agree to the use of cookies. more information

The cookie settings on this website are set to "allow cookies" to give you the best browsing experience possible. If you continue to use this website without changing your cookie settings or you click "Accept" below then you are consenting to this.

Close