বিশ্বনাথে প্রকৃতির কাছে হার মানল দেড়শত বছরের পুরোনো বটগাছ

photo1 (1)বিশ্বনাথ প্রতিনিধিঃ সিলেটের বিশ্বনাথে প্রকৃতির কাছে হার মানল প্রায় দেড় শত বছরের পুরোনো বটগাছ। গতকাল বুধবার উপজেলা সদরের রামসুন্দর উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে দেড়শত বছরের বটগাছটি সড়কের ওপরে উপড়ে পড়ে । ফলে বিশ্বনাথ-জগন্নাথপুর-সিলেট সড়কের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়। এতে ওই সড়কে প্রায় ৫ ঘন্টা যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তবে বিশ্বনাথ বাইপাশ সড়ক দিয়ে যানবাহন চলাচল করে। বট গাছটি বিদ্যুতের লাইনে পড়ায় উপজেলা সদরের বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এরপর বিকেল ৪টায় বিদ্যুৎ স্বাভাবিক হয়। সকাল থেকে পড়ে যাওয়া গাছটি কাটার কাজ শুরু হয়। গাছটি পড়ে যাওয়ার খবর শুনে এলাকার মানুষজন এক নজর গাছটি দেখার জন্য ছুটে আসেন। দীর্ঘদিন ধরে ওই গাছটি কাটার পরিকল্পনা করেন স্থানীয় এলাকাবাসী। কিন্তু গাছটি কাটা সম্ভব হয়নি। তবে দুপুর ২টায় গাছের কিছু কেটে পেলে দেয়ার পর যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
জানাগেছে, বিশ্বনাথ-রশিদপুর সড়কের রামসুন্দর উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে সড়কের অর্ধেক জায়গা দখল করে রেখেছিল দীর্ঘ দেড়শত বছর পুরো বটগাছ। ফলে ওই বটগাছের কারণে স্কুলগামী শিক্ষার্থী ও যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে আসছিল। দীর্ঘদিন ধরে ওই গাছটি কাটার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে এলাকাবাসী দাবি জানিয়ে আসছিলেন। কিন্তু এত কোনো ফল আসেনি। অবশেষে বুধবার ভোর বেলা প্রচুর বৃষ্টি হয়। বৃষ্টির ফলে পুরোনো বট গাছটি উপড়ে পড়ে। গত সোমবার থানা প্রশাসন আয়োজিত সুশিল সমাজের সাথে মতবিনিময় সভায় ওই বটগাছ কাটার ব্যাপারে থানার অফিসার ইন-চার্জ মো. রফিকুল হোসেনসহ এলাকার জনপ্রতিনিধরা ব্যাপক আলাপ-আলোচনা করেন।
উপজেলা চেয়ারম্যান সুহেল আহমদ চৌধুরী বলেন, প্রায় দেড় বছর পুরোনো বটগাছটি প্রচুর বৃষ্টি হওয়ায় উপড়ে পড়ে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অবহিত করা হয়।
এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আসাদুল হক বলেন, সড়ক ও জনপদ বিভাগের মাধ্যমে সড়কের ওপর থেকে বটগাছ কেটে ফেলা হচ্ছে।

Pin It on Pinterest

Share This

By continuing to use the site, you agree to the use of cookies. more information

The cookie settings on this website are set to "allow cookies" to give you the best browsing experience possible. If you continue to use this website without changing your cookie settings or you click "Accept" below then you are consenting to this.

Close