ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মহড়া, শাবি ক্যাম্পাসে উত্তেজনা

SUSTশাবি প্রতিনিধিঃ শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মহড়ায় ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করছে। গতকাল রবিবার ছাত্রলীগের পার্থ-সবুজ গ্রুপ ও উত্তম-অঞ্জন গ্রুপের পাল্টাপাল্টি মহড়ায় ক্যাম্পাসে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ক্যাম্পাসে এপিসি নিয়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা যায়, গতকাল দুপুর দুইটার দিকে ছাত্রলীগের কমিটির গ্রুপের সেক্রেটারি ইমরান খান ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছাত্রলীগ নেতা সাজেদুল ইসলাম সবুজের নেতৃত্বে কমিটি সমর্থক চল্লিশ পঞ্চাশজন নেতাকর্মী ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে ইউনিভার্সিটি সেন্টারে অবস্থান নেয়। খবর পেয়ে প্রতিপক্ষ গ্রুপের নেতাকর্মীরা শাহপরান হলের সামনে অবস্থান নেয়। ক্যাম্পাসে আতঙ্কের সৃষ্টি হলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জালালাবাদ থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ তলব করে ক্যাম্পাসে মোতায়েন করেন।
ছাত্রলীগের কমিটির সেক্রেটারি ইমরান খান জানান যে, তারা ক্যাম্পাসে এসেছেন শুধুমাত্র তাদের সমর্থক শিক্ষার্থী যারা হলে উঠার জন্য আবেদন করেছে, তাদের মধ্য থেকে যোগ্যদেরকে যেনো প্রশাসন হলে সিট দেন এই বিষয়টি নিশ্চিত করতে। নিশ্চয়তা পাওয়ার আগ পর্যন্ত তারা ক্যাম্পাস থেকে যাবেন না বলে জানান। এছাড়া শাবি ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজেদুল ইসলাম সবুজ বলেন, উত্তম কুমার দাস হচ্ছে ছাত্রলীগের বহিঃষ্কৃত কর্মী, সে ছাত্রলীগের কেউ না। এছাড়া এদের নিয়ন্ত্রনে থাকা হলে ছাত্রদল ও শিবিরের ক্যাডাররাও এদের সাথে থাকছে বলেও তিনি জানান।
এদিকে ছাত্রলীগ নেতা অঞ্জন রায় বলেন, এসব অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, শাবিপ্রবি হলে ক্যাম্পাসের নিয়মিত ছাত্ররাই থাকছে। ক্যাম্পাসে বা ক্যাম্পাসের বাইরে ছাত্রদল বা ছাত্রশিবিরের কোন কার্যক্রমই এখন নেই। তিনি আরো জানান যে হত্যা মামলার আসামী আর অছাত্রদের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে থাকার কোন অধিকার নেই, সাধারণ শিক্ষার্থীরাই এটা মেনে নেবে না।

Pin It on Pinterest

Share This

By continuing to use the site, you agree to the use of cookies. more information

The cookie settings on this website are set to "allow cookies" to give you the best browsing experience possible. If you continue to use this website without changing your cookie settings or you click "Accept" below then you are consenting to this.

Close