গোয়াইনঘাটে দুলা ভাইয়ের হাতে শ্যালক খুন : সড়ক দুর্ঘটনায় দাদি-নাতনি নিহত

guainghat-murder-newsগোয়াইনঘাট প্রতিনিধিঃ গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলংয়ের গুচ্ছগ্রামে দুলাভাইয়ের কাঠের আগাতে শ্যালক খুন হয়েছে। সোমবার ভোরে উপজেলার গুচ্ছগ্রাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, শাকিল হোসেন সুজন (১৯) ও তার ভাই সোহরাব হোসেন (১৭) রোববার রাতে নরসিংদি থেকে বেড়াতে আসা তাদের দুলাভাই হোসেন মিয়ার সাথে রাতে একই কক্ষে ঘুমাতে যায়। একপর্যায়ে সুযোগ বুঝে ঘাতক দুলাভাই হোসেন মিয়া ভোর রাতে ঘরে থাকা কাঠের টুকরা দিয়ে ঘুমন্ত অবস্থায় দুই শ্যালকের মাথায় এলোপাতাড়ি ভাবে আঘাত করতে থাকে। এ সময় ঘটনাস্থলেই শাকিল নিহত হয় এবং তার ছোট ভাই সোহরাব গুরুতর আহত হয়। ঘটনার আচ করতে পেরে পাশের ঘরে ঘুমিয়ে থাকা শাকিল ও সোহরাবের মা এগিয়ে আসলে ঘাতক হোসেন মিয়া দ্রুত পালিয়ে যায়।
পরে শাকিলের মায়ের আর্ত চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে শাকিলের মৃতদেহ ও গুরুতর আহত অবস্থায় সোহরাবকে বিছানায় পড়ে থাকতে দেখেন। নিহত ও আহত ব্যাক্তিদ্ধয় নরসিংদী সদর উপজেলার বাসাইল গ্রামের আমির হোসেনের পুত্র।
খবর পেয়ে গোয়াইনঘাট থানার পুলিশের উপ পরিদর্শক এস আই ইউনুছ আলী ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়না তদন্তের জন্য সিওমেক হাসপাতালে প্রেরণ করেন। তবে এই ঘটনার কোন কারণ জানা যায়নি।
এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে থানার ওসি মোঃ আব্দুল হাই জানিয়েছেন।
এদিকে সোমবার বিকেল ৪টায় গোয়াইনঘাট উপজেলার বঙ্গবীর হাদার পার সড়কের পীরের বাজার ব্রীজের পাশে সড়ক দুর্ঘটনায় দাদী-নাতনি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অপর একজন আহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন সেলিনা বেগম (৪০) ও মাছুমা বেগম (৮)। নিহত সেলিনা বেগম গোয়াইনঘাট উপজেলার উত্তরখলা মাধব গ্রামের আব্দুর রহিমের স্ত্রী এবং নিহত শিশু মাছুমা বেগম একই এলাকার আব্দুল মান্ননের মেয়ে।
প্রত্যক্ষদর্শী রুস্তুমপুর ইউনিয়ন পরিষদের ই-তথ্য সেবা কেন্দ্রের পরিচালক কামরুল হাসান জানান, একটি সিএনজি অটোরিক্সা হাদারপার যাওয়া পথে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাক্টররের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই সিএনজি অটোরিক্সা যাত্রী দাদি-নাতি নিহত হন। এ ঘটনায় আহত রহিম উদ্দিন (২৫) কে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হাই বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করেছে।

Pin It on Pinterest

Share This

By continuing to use the site, you agree to the use of cookies. more information

The cookie settings on this website are set to "allow cookies" to give you the best browsing experience possible. If you continue to use this website without changing your cookie settings or you click "Accept" below then you are consenting to this.

Close