৪ নভেম্বর পবিত্র আশুরা

ashuraসুরমা টাইমস ডেস্কঃ বাংলাদেশের আকাশে শনিবার পবিত্র মহররম মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে আগামীকাল রোববার হিজরি নববর্ষ। এই দিন থেকে হিজরি ১৪৩৬ সাল গণনা শুরু হবে। এ হিসেবে আগামী ১০ মহররম অর্থাৎ ৪ নভেম্বর পবিত্র আশুরা পালিত হবে।
সোমবার বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সম্মেলনে কক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান। উপস্থিত ছিলেন ধর্ম সচিব মো. বাবুল হাসান, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা তাছির হোসাইন, আমিনুল ইসলাম, বায়তুল মোকাররম খতিব অধ্যাপক মাওলানা সালাহউদ্দিন আহমেদ, ঢাকা মাদরাসা-ই আলিয়ার অধ্যক্ষ অধ্যাপক সিরাজউদ্দিন আহমাদ, আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক মো. শাহ আলম প্রমুখ।
মহররম মাসের দশম দিবস মুসলমানদের নিকট বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা বিশ্বাস করেন, আল্লাহর নির্দেশে এ দিনে পৃথিবী সৃষ্টি হয়েছিল। এ দিনেই কেয়ামত হবে। পৃথিবী ধ্বংস হবে। ১০ মহররম প্রথম মানুষ হযরত আদম (আঃ) কে সৃষ্টি করা হয় বলে বিশ্বাস করেন মুসলমানরা। আরো অনেক ঘটনার কারণেই মুসলমানদের কাছে স্বরণীয় ১০ মহররম।
তবে আশুরা মুসলমানদের নিকট মূলত শোকের দিন। হিজরি ৬১ সালের এ দিনে ফোরাত নদীর তীরে কারবালা প্রান্তরে শাহাদাৎ বরণ করেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) প্রিয় দৌহিত্র ইমাম হুসাইন (রাঃ)। তৎকালীন শাসক ইয়াজিদের সৈন্য শিমার ইবনে জিলজুশান মুরাদি দৌহিত্র ইমাম হুসাইন (রাঃ) কণ্ঠদেশে ছুরি চালিয়ে তাকে নির্মমভাবে হত্যা করে।
ঐতিহাসিক এ শোকাবহ ঘটনার স্মরণে প্রতিবছরের ১০ মহররম মুসলমানরা শোকের আবহে দিনটি পালন করে। শিয়া সম্প্রদায়ের মুসলমানরা মাতম ও তাজিয়ার মিছিলে আশুরা পালন করলেও, সুন্নি সম্প্রদায়ের মুসলমানরা আশুরার দিনে নফল রোজা রাখেন।

Pin It on Pinterest

Share This

By continuing to use the site, you agree to the use of cookies. more information

The cookie settings on this website are set to "allow cookies" to give you the best browsing experience possible. If you continue to use this website without changing your cookie settings or you click "Accept" below then you are consenting to this.

Close