নবীগঞ্জে জমে উঠেছে জমজমাট কোরবানীর পশুর হাট : দাম বেশী বেচাবিক্রি কম

Nabiganj-3উত্তম কুমার পাল হিমেল,নবীগঞ্জ থেকেঃ মুসলমানদের দ্বিতীয় ধর্মীয় প্রধান উৎসব ইদুল আযহাকে সামনে রেখে নবীগঞ্জে কোরবানীর পশুর হাট জমে উঠেছে। নবীগঞ্জে-হবিগঞ্জ সড়কের পাশে অবস্থিত গরুর বাজার গতকাল মঙ্গলবার ছিল হাট বার। তাই ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপছেপড়া ভীর ছিল রাত ১০টা পর্যন্ত। ইদের আর মাত্র ৫ দিন বাকী থাকায় বাজারের ভীড়ও আস্তে আস্তে বেড়েই চলছে। শেষ মুহুর্তে আরো বেশী ভীড় হবে এবং রাত ১২/১ পর্যন্ত বেচাকেনা চলবে বলে জানিয়েছেন ক্রেতা-বিক্রেতা ও গরুর বাজার কর্তৃপক্ষ। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় সম্পূর্ন হাট ছিল গরু,ছাগল ও অন্যান্য পশুতে পরিপূর্ন। সব এলাকায় বিদ্যুতের লাইটং থাকায় ক্রেতাগন স্বাচ্ছন্দে কেনাকাটা করতে দেখা গেছে। তবে দেশী-বিদেশী গরুর আমদানী প্রচুর হলেও দাম বেশী থাকায় মধ্যবিত্ত এবং নিন্মবিত্ত মানুষকে হিমশীম খেতে দেখা গেছে। তবে অন্য বছরের তুলনায় ইন্ডিয়া থেকে গরু কম আমদানী হওয়ার কারনে দাম একটু বেশী। অনেককে কোরবানীর পশু না কিনে খালি হাতে ফিরে যেতে হয়েছে। তবে আরো দু-এক দিন অপেক্ষ করে কোরবানীর পশু কিনবেন বলে জানিয়েছেন অনেকে । বাজারে দাশ বেশী থাকায় অনেক বিক্রেতাকেও তাদের আমদানীকৃত গরু বিক্রি না করে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে হয়েছে । উপজেলার রাইয়াপুর গ্রামের ক্রেতা আফসানুজ্জামান এ প্রতিনিধিকে জানান বাজাওে দাম খুব বেশী তাই কোরবানীর গরু কিনতে হিমশিম খাচ্ছি।
নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জের বিক্রেতা আছাব উল্লা জানান বাজারে দাম বেশী হওয়ায় অনেক ক্রেতা কোরবানীর পশু না কিনে চলে যাচ্ছেন। যার ফলে আমরা আশানুরুপ বিক্রি না করতে পারায় সেগুলো নিয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে। একটি গরু ৯০ হাজার টাকা দাম চাইলেও ক্রেতারা ৬৫ হাজার টাকা দাম করেছেন। তাই বিক্রি করতে পারিনি। তবে ইদের আগে ২/১ দিন বাজার আরো অনেক ভাল হবে বলে আশা করছি।
বিশ্বস্থ সূত্রে জানা যায়,দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ীরা অধিক মুনাফা লাভের আশায় গরু ব্যবসায়ী অবাধে গরুর শরীরে জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি স্বরুপ কতিকর বিভিন্ন ধরনের স্ট্রেরয়েট ইনজেকশন এবং ভারত থেকে আনিত ডেক্রামেথাসন খাওয়ার বড়ি আমদানী করে সুকৌশলে প্রযোগ করছে।জানাযায় এ ধরনের ইনজেকশন পুশ ও বড়ি খাওয়ানোর ফলে অল্প কিছুদিনের মধ্যে গরু ফুলে ফেপে ওঠে ওজন বৃদ্ধি করে। যার ফলে ক্রেতাদের আকৃণ্ট করতে সহজ হয়। স্বস্থ্য বিশেষজ্ঞদের অভিমত ওই সমস্ত গরুর মাংশ খাওয়ার ফলে মানুষের যকৃত,কিডনি,মস্তিষ্ক ও হার্ট সহজেই আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।জনস্বাস্থ্যের জন্য তা কতিকর হলেও কর্তৃপক্ষের এ ব্যাপারে মাথা ব্যাথা নেই।
এ ব্যাপারে ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন সাধারন ক্রেতারা ।

Pin It on Pinterest

Share This

By continuing to use the site, you agree to the use of cookies. more information

The cookie settings on this website are set to "allow cookies" to give you the best browsing experience possible. If you continue to use this website without changing your cookie settings or you click "Accept" below then you are consenting to this.

Close