ছাতকে সুরমা, চেলা ও পিয়াইন নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত

ছাতক প্রতিনিধি: এক সপ্তাহ ধরে টানা বর্ষণ ও পাহাড়িঢলে উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। কয়েকশ’ কাঁচা ঘর-বাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ ও গ্রামীণ সড়ক বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। শ’শ’ একর আমন ফসলের ক্ষেত তলিয়ে গেছে। হাঁস-মোরগ ও মৎস্য খামার ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ভারীবর্ষন অব্যাহত থাকায় বার্জ, কার্গো ও বলগেট নৌকায় লোড-আনলোড প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। বড় ধরনের বন্যার আশঙ্খা করছেন স্থানীয় লোকজন। ইতিমধ্যেই বহু গ্রামের হাজার-হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছে। নাইন্দার হাওর, রাঙ্গাডিঙ্গা হাওর, সিংচাপইড় হাওর, ফাটার হাওরসহ বেশ কয়েকটি হাওরের রোপা আমন ক্ষেত ও বীজতলা সম্পূর্ণ বিনষ্ট হয়ে গেছে। কালারুকা ইউনিয়নের মিত্রগাঁও, চানপুর সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে ছাতক-গোবিন্দগঞ্জ সড়ক তলিয়ে যোগযোগ ভেঙ্গে পড়ার আশঙ্খা রয়েছে। পৌরসভাসহ ইসলামপুর, নোয়ারাই, চরমহল্লা, সদর, জাউয়া, সিংচাপইড়, উত্তর খুরমা, দক্ষিণ খুরমা, গোবিন্দগঞ্জ-সৈদেরগাঁও, ছৈলা-আফজলাবাদ, ভাতগাঁও, দোলারবাজার ইউনিয়নের নিুাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিসের দেয়া তথ্য থেকে জানা গেছে, রোপা আমনের ৩শ’ ১৪হেক্টর বীজতলা ও ৩শ’ ৬৭হেক্টর ফসলী ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। উপজেলা উপ-সহকারি কর্মকর্তা আনিসুর রহমান জানান, গোবিন্দগঞ্জ সৈদেরগাঁও ইউনিয়নের ধারণ ব্লকের প্রায় ১৫হেক্টর রোপা-আমন ধানের ক্ষেত এবং প্রায় ৩হেক্টর বীজতলা পানিতে নিমজ্জিত।

Pin It on Pinterest

Share This

By continuing to use the site, you agree to the use of cookies. more information

The cookie settings on this website are set to "allow cookies" to give you the best browsing experience possible. If you continue to use this website without changing your cookie settings or you click "Accept" below then you are consenting to this.

Close